ভূত-জাল কী?
হারিয়ে যাওয়া বা ফেলে দেওয়া জাল, দড়ি ও ফাঁদ পানির নিচে বছরের পর বছর মাছ, কাছিম ও ডলফিন আটকে ফেলে। কেউ সেগুলো তোলে না, তাই ক্ষতি চলতেই থাকে।
জেলে, শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের জন্য ছোট পাঠ।
হারিয়ে যাওয়া বা ফেলে দেওয়া জাল, দড়ি ও ফাঁদ পানির নিচে বছরের পর বছর মাছ, কাছিম ও ডলফিন আটকে ফেলে। কেউ সেগুলো তোলে না, তাই ক্ষতি চলতেই থাকে।
ভূত-জাল মাছের সংখ্যা কমায়, নৌকার প্রপেলারে জড়িয়ে যায় এবং জাল ছিঁড়ে দেয় — অর্থাৎ সরাসরি আয়ের ক্ষতি।
নিজে ভারী জাল টেনে তুলবেন না। দূর থেকে ছবি তুলুন, অবস্থান দিন এবং রিপোর্ট করুন যাতে দল গিয়ে সরাতে পারে।
শ্রেণিকক্ষে লাইভ ম্যাপ খুলে শিক্ষার্থীদের দেখান কোন উপকূলে কী ধরনের বিপদ জানানো হয়েছে, এবং এসডিজি ১৪ নিয়ে আলোচনা করুন।
সম্ভব হলে দূরে থাকুন। জাল নিজে তুলতে ঝুঁকি নেবেন না। ছবি তুলে রিপোর্ট করুন।
পানির সাথে সরাসরি সংস্পর্শ এড়িয়ে চলুন। ওই পানিতে জাল ফেলবেন না। রিপোর্ট করুন।
প্রাণীটি স্পর্শ করবেন না। দূর থেকে ছবি তুলে রিপোর্ট করুন।
নিরাপদ হলে ছোট আবর্জনা সরান, ভারী বা ধারালো জিনিস নয়। রিপোর্ট করুন।
নিরাপদ দূরত্বে থাকুন এবং যা দেখেছেন ছবি তুলে জানান।